এমপিআই চুম্বক
ম্যাগনেটিক পার্টিকেল ইমেজিং (এমপিআই) হলো একটি নতুন ইমেজিং পদ্ধতি, যা ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই) এবং পজিট্রন এমিশন টমোগ্রাফি (পিইটি)-এর মতো অন্যান্য প্রচলিত পদ্ধতির অ-আক্রমণাত্মক প্রকৃতি বজায় রেখে উচ্চ-রেজোলিউশনের ছবি তোলার সম্ভাবনা রাখে। এটি কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড সিগন্যাল শনাক্ত না করেই বিশেষ সুপারপ্যারাম্যাগনেটিক আয়রন অক্সাইড ন্যানোপার্টিকেলের অবস্থান এবং পরিমাণ ট্র্যাক করতে সক্ষম।
এমপিআই ন্যানোপার্টিকেলের অনন্য, অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যগুলোকে কাজে লাগায়: যেমন চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে তাদের প্রতিক্রিয়া এবং পরবর্তীতে সেই ক্ষেত্রটির নিষ্ক্রিয়করণ। বর্তমানে এমপিআই-তে ব্যবহৃত ন্যানোপার্টিকেলগুলো সাধারণত এমআরআই-এর জন্য বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ থাকে। অনেক গবেষক দল বিশেষ এমপিআই ট্রেসার তৈরি করছে, যেগুলোতে বিভিন্ন আবরণে আবৃত একটি আয়রন-অক্সাইড কোর ব্যবহার করা হয়। এই ট্রেসারগুলো এমপিআই-এর প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ন্যানোপার্টিকেলের আকার ও উপাদান পরিবর্তন করে বর্তমান বাধাগুলো দূর করবে।
ম্যাগনেটিক পার্টিকেল ইমেজিং চৌম্বকত্বের এক অনন্য জ্যামিতি ব্যবহার করে একটি ক্ষেত্র-মুক্ত অঞ্চল (FFR) তৈরি করে। এই সংবেদনশীল বিন্দুটি একটি ন্যানোকণার গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি এমআরআই পদার্থবিদ্যা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, যেখানে একটি সুষম ক্ষেত্র থেকে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।
১. টিউমারের বৃদ্ধি/মেটাস্ট্যাসিস
২. স্টেম সেল ট্রেসিং
৩. দীর্ঘমেয়াদী কোষ ট্রেসিং
৪. সেরিব্রোভাসকুলার ইমেজিং
৫. রক্তনালীর রক্তপ্রবাহ গবেষণা
৬. চৌম্বকীয় হাইপারথার্মিয়া, ঔষধ সরবরাহ
৭. মাল্টি-লেবেল ইমেজিং
১. গ্রেডিয়েন্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্য: ৮ টেসলা/মিটার
২. চুম্বকের ফাঁক: ১১০ মিমি
৩. স্ক্যানিং কয়েল: X, Y, Z
৪. চুম্বকের ওজন: ৩৫০ কেজির কম
৫. ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী কাস্টমাইজেশনের সুযোগ প্রদান করুন






